বিশ্বের সেরা ১০ গাড়ির ব্র‍্যান্ড

123
0

বিশ্বের বৃহত্তম ইন্ডাস্ট্রিগুলোর মধ্যে অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির নাম আছে একদম প্রথম সারিতে৷ ভয়াবহ কোভিড পরিস্থিতিতেও কোম্পানিগুলো একের পর এক আকর্ষণীয় মডেল ও দামের গাড়ি বাজারে এনে গাড়িপ্রেমীদের নজর কেড়েছে৷ ডিজাইন, ম্যানুফ্যাকচারিং, মার্কেটিং সবকিছুতেই এসেছে নতুনত্ব৷ সেই সাথে বেড়েছে কোম্পানির আয়৷ তারই ভিত্তিতে বিশ্বের সেরা ১০টি গাড়ির ব্র্যান্ড নিয়েই আজকের লেখাটি৷

টয়োটা

বিশ্বের সর্ববৃহৎ গাড়ি ম্যানুফেকচারার কোম্পানি টয়োটা আয়ের দিক থেকে প্রথম অবস্থানেই আছে৷ বার্ষিক প্রায় ২৮১ বিলিয়ন ডলার আয় করা এই জাপানিজ মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ডের হেডকোয়ার্টার জাপানের আইচিতে অবস্থিত৷ বিশ্বের ৩০টি দেশে প্রায় ৫০টিরও অধিক ম্যানুফ্যাকচারিং ফার্ম আছে এই প্রতিষ্ঠানের। যার মধ্যে বিশেষ করে আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া-ওশেনিয়া এবং ইউরোপজুড়ে এর পরিধি বিস্তৃত৷

টয়োটা ক্যামরি। Image Source: motortrend.com

১৯২৬ সালে Toyoda Automotive Loom প্রতিষ্ঠিত হয়। ঠিক ১০ বছর পর ১৯৩৭ সালে সেটি Toyota Motor Corporation হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়৷ শুরু থেকেই টয়োটা একের পর এক চমক বাজারে আনতে থাকে৷ আর এর পাশাপাশি ডিজাইন, কম্ফোর্ট এবং ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়ী ও নতুনত্ব ভাব টয়োটাকে এনে দেয় জগতজোড়া খ্যাতি। Integrated Safety Management Concern’কে সামনে রেখে বর্তমানে টয়োটা বিশ্বের সেরা ১০টি গাড়ির ব্র্যান্ডের মধ্যে ১ম স্থান দখল করে আছে৷

ভক্সওয়াগন 

জার্মানির লোয়ার স্যাক্সোনিতে ভক্সওয়াগন ভেহিকেল কোম্পানির হেডকোয়ার্টার অবস্থিত৷ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অটোমোবাইল ম্যানুফেকচারার কোম্পানিটি দুটি ভাগে বিভক্ত; অটোমোটিভ ডিভিশন ও ফাইন্যান্সিয়াল ডিভিশন৷ Moving people and Driving them forward – এই স্লোগানে ভক্সওয়াগনের প্যাসেঞ্জার কার বিশ্বব্যাপী পরিচিত৷ বিশ্বের ১৪টি দেশে তাদের কোম্পানি রয়েছে এবং ব্যবসা বিস্তৃত ১৫০টির বেশি দেশে৷

ভক্সওয়াগন আইডি.৪ এসইউভি। Image Source: vw.com

দশ লাখেরও বেশি যানবাহন প্রস্তুত করে, মার্কেটের ৭.৭৯% শেয়ার দখল করেছে রেখেছে ভক্সওয়াগন। আর প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক আয় প্রায় ২৭৫ বিলিয়ন ডলার৷ TRANSFORM 2025 স্ট্র্যাটেজি নিয়ে ভক্সওয়াগন অটোমোটিভ ইন্ডাস্ট্রিতে বিপ্লব ঘটাতে যাচ্ছে৷

 

মার্সিডিজ বেঞ্জ 

গটলিব ডেইমলার এবং কার্ল বেঞ্জ এর হাত ধরে ১৮৮৬ সালে অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা হয়। সৃষ্টি হয় Daimler AG-Mercedes-Benz AG নামক বিশ্বের বৃহৎ অটোমোবাইল কোম্পানির৷ এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিলাসবহুল এবং কমার্শিয়াল যানবাহন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। যার সদর দপ্তর জার্মানিতে৷

মার্সিডিজ এস ক্লাস সেডান। Image Source: caranddriver.com

মার্সিডিজ বেঞ্জ প্যাসেঞ্জার গাড়ি, বাস, ট্রাক, ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, লিজিং, ফ্লিটিং ম্যানেজমেন্ট, ইন্সুরেন্স এবং ইনোভেটিভ মোবিলিটি সার্ভিস দিয়ে এটি ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করেছে৷ মোট ১৭৪ বিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় নিয়ে এটি বিশ্বসেরা গাড়ির তালিকার ৩ নম্বরে আছে৷ Bosch এর সাথে যুক্ত হয়ে ভবিষ্যতে হাইলি অটোমেটেড ড্রাইভিং এবং ড্রাইভারলেস কার তৈরীর পরিকল্পনা করছে মার্সিডিজ বেঞ্জ৷

 

ফোর্ড মোটর

১৯১৯ সালে ডেলাওয়্যারে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ড মোটর আমেরিকান মাল্টিন্যাশনাল অটোমেকার কোম্পানি৷ প্রথমে এটি ছিল মিশিগানভিত্তিক একটি অটোমোবাইল কোম্পানি মাত্র৷ অটোমোবাইল উৎপাদন ও বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে ১৯০৩ সালে ফোর্ড মোটর কোম্পানি নামে এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন হেনরি ফোর্ড৷ বিশ্বব্যাপী প্রায় ২,০০,০০০ কর্মী নিয়ে এই কোম্পানি ফোর্ড কার, ট্রাক, ইলেক্ট্রিক যানবাহনসহ বিভিন্ন অটোমেটিক যন্ত্রাংশ তৈরী ও বাজারজাত করছে৷ ফোর্ড মোটরস এবং লিংকন্স মিলে তৈরী হয়েছে Ford Motors ব্র্যান্ড৷

 

শুধুমাত্র ২০১৭ সালেই কোম্পানিটি ৬,৫০,০০০ এর বেশি যানবাহন বিক্রি করেছে৷ আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গাড়ির মধ্যে প্রথম অবস্থানে আছে ফোর্ড। আর বিশ্বের সেরা ১০ ব্র্যান্ডের মধ্যে ৪র্থ অবস্থানে আছে এটি৷ এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মডেল হলো – F-150, EcoSport, Focus Electric, all-new Fiesta, all-new Expedetion এবং all-new Lincoln Navigator. কোম্পানিটির বার্ষিক আয় প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার৷

 

জেনারেল মোটরস 

৭০টি দেশের মোট ১,৮০,০০০ কর্মী নিয়ে বিশ্বের ৬টি মহাদেশে নিজেদের ব্যবসা করছে জেনারেল মটরস৷ উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক এই কোম্পানিটি বিশ্বে প্রথমবারের মতো এফোর্ডেবল ইলেক্ট্রিক কার, ইলেক্ট্রিক স্টার্টার ও এয়ারব্যাগ বাজারে নিয়ে আসে৷ এর হেডকোয়ার্টার আমেরিকার ডেট্রয়টে অবস্থিত৷ ৮টি সুনামধন্য ব্র্যান্ডের সাথে মিলে জেনারেল মোটরস কাজ করছে বিশ্বব্যাপী৷ ব্র্যান্ডগুলো হলো – Buick, GMC, Cadillac, Holden, Baojun, Wuling, Chevrolet এবং Jiefang.

শেভ্রোলেট তাহু। Image Source: gm.com

কোয়ালিটি এবং পারফর্মেন্সের জন্য জেনারেল মোটরস বরাবরই প্রশংসিত৷ এর অন্যতম জনপ্রিয় কার Chevrolet volt, ২০১৬ সালে বর্ষসেরা Motor Trend car and Truck নির্বাচিত হয়৷ একইসাথে দুই বার গ্রিন কার এওয়ার্ড পায় কোম্পানিটি৷ এটিই উত্তর আমেরিকার প্রথম অটোমোবাইল ম্যানুফেকচারার যেটি রোল ওভার ফ্যাসিলিটি শুরু করে৷ ১৩০ বিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় করা এই কোম্পানিটি আছে টপ চার্টের ৫ নম্বরে৷

 

বিএমডব্লিউ 

পূর্ণরূপ – Bayerische Motoren Werke. জার্মান এই কোম্পানিটি প্রিমিয়াম অটোমোবাইল, মোটরসাইকেল এবং টপ কার ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত৷ সেই সাথে প্রিমিয়াম ফাইন্যান্সিয়াল ও মোবিলিটি সার্ভিস তো আছেই৷ ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত BMW এর সদর দপ্তর জার্মানির মিউনিখে৷ BMW বরাবরই ভিন্ন আঙ্গিকের গাড়ি বাজারে আনার জন্য বিখ্যাত৷ BMW এর মেজর হচ্ছে BMWi, BMW M. দীর্ঘদিন ধরে BMW এর পরিচালনা করছে কোয়ান্ট ফ্যামিলি; যারা কোম্পানিটির একটি বড় অংশের শেয়ারহোল্ডার৷ বাকি স্টকগুলো পাবলিক ফ্লোট এর অধীনে৷

বিএমডব্লিউ এম৪৪০আই। Image Source: gearpatrol.com

১৯১৭ সালে বিশ্বে প্রথমবারের মতো অ্যালুমিনিয়াম পিস্টনযুক্ত এয়ারক্রাফট ইঞ্জিন নিয়ে আসে BMW প্রতিষ্ঠান। ১৯৩০ এর দশকে বাজারে আসে BMW328, যা লাইটওয়েট ও এলুমিনিয়াম সিলিন্ডারের জন্য সেরা গাড়ি নির্বাচিত হয়৷ এছাড়াও BMW ফর্মুলা ১ ও মোটরস্পোর্ট এর ইতিহাসেও সংযোজন করেছে বেশ কিছু গাড়ি৷ ১২৮ বিলিয়ন বার্ষিক আয় নিয়ে এটি আছে তালিকার ৬ নম্বরে৷

 

হোন্ডা মোটরস 

জাপানের সর্বপ্রথম অটোমোটিভ কোম্পানি যারা আমেরিকাতে প্রায় ১,০০,০০০ হোন্ডা এবং অ্যাকিউরা মডেল বিক্রির রেকর্ড গড়েছে৷ ১২৩ বিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় নিয়ে এর অবস্থান ৭ম এ৷ সইচিরো হোন্ডার হাত ধরে ১৯৪৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর হেডকোয়ার্টার জাপানের রাজধানী টোকিওতে৷ এন্টার্কটিকাসহ বিশ্বের ৭টি মহাদেশেই অটোমোবাইল, এয়ার ক্রাফট, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিক্রি করে থাকে কোম্পানিটি৷

হোন্ডা সিভিক টাইপ আর লিমিটেড এডিশন। Image Source: motorauthority.com

ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ লিস্টেও জায়গা করে নিয়েছে হোন্ডা মোটরস৷ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্বসেরা অটোমেকার কোম্পানিতে পরিণত হতে হোন্ডাকে পার করতে হয়েছে একটা কঠিন সময়৷ হোন্ডা ক্ল্যারিটি সিরিজ কার ২০১৮ সালে গ্রিন কার নির্বাচিত হয়৷ City, CRV সহ আরো জনপ্রিয় কিছু গাড়ি রয়েছে এই কোম্পানিটির৷

 

সাইক মোটরস

পূর্ণরূপ – Sanghai Automotive Industry Corporation(SAIC)। ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ লিস্টে থাকা সাইক মোটর কর্পোরেশন লিমিটেড হচ্ছে চায়নার অটোমেকার কোম্পানি৷ চীনের সাংহাইতে এর হেডকোয়ার্টার অবস্থিত৷ এই কোম্পানিটি চীনা সরকার দ্বারা পরিচালিত এবং Big 4 কার ব্র্যান্ড হিসেবে একে বিবেচনা করা হয়৷ মূলত যানবাহন, যন্ত্রাংশ, অটো ট্রেড, সার্ভিস এবং অটো রিলেটেড ফাইন্যান্স, ইনভেস্ট, ইন্সুরেন্স, বিগ ডেটা, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে।

এমজি জেডএস এসইউভি। Image Source: saicmotor.com

২০০৬ সাল থেকে চীনের নিজস্ব মার্কেটে রাজত্ব করা এই ব্র্যান্ড এখন দেশীয় মার্কেটের ২৩% শেয়ার নিজেদের তুলে নিয়েছে সেরার পদবীতে এবং দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিশ্বব্যাপী৷ ২০১৯ সালে সাইক মটরস ৬.২৩৮ মিলিয়ন যানবাহন বিক্রি করে৷ ১২২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বার্ষিক আয় নিয়ে এটি লিস্টের ৮ নম্বরে আছে৷

হুন্দাই

দক্ষিন কোরিয়ার অটোমেকার কোম্পানি হুন্দাই প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে৷ এর হেডকোয়ার্টার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে৷ অটোমোবাইল তৈরী ও বিক্রি ছাড়াও এটি কাস্টমারদের ফাইন্যান্সিয়াল সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ক্রেডিট ও ইন্সুরেন্স এর ব্যবস্থা করেছে৷ সেই সাথে উৎপাদন করছে রেলওয়ে সরঞ্জামও৷ ১৯৯৬ সালে ভারতে হুন্দাইয়ের পরিচালনা শুরু হয়৷ বর্তমানে ৫০০০ এরও অধিক ডিলারশিপসহ ১৯৩টি দেশে এর কাস্টমার রয়েছে৷ i10 সিরিজ, ইলান্ট্রা, একসেন্ট, হুন্দাই সিভিকসহ আরো বেশ কিছু গাড়ি বাজারে এনে হুন্দাই বিপুল জনপ্রিয়তা পায়৷

হুন্দাই সোনাটা। Image Source: caranddriver.com

১৯৭৬ সালে বাজারে আসে পনি এবং ১৯৮৩ সালে এটি কানাডার বাজারে যাত্রা শুরু করে৷ এর সাইজ এবং প্রাইসের জন্য দুই দেশেই টপ কার ব্র্যান্ড নির্বাচিত হয়৷ ১৯৮৫ সালে হুন্দাই এক্সেল এক্সপোর্টের মাধ্যমে আমেরিকার বাজারে প্রবেশ করে৷ ১৯৯৮ সালে এটি কিয়া মটরসকে কিনে নেয়৷ i10 সিরিজের গাড়িগুলোর ডিউরালিটি, কাস্টমার স্যাটিসফিকশনের জন্য ২০০৫ সালে হুন্দাই ১০০ বেস্ট গ্লোবাল ব্র্যান্ডে জায়গা করে নেয়৷ ৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় নিয়ে এই কোম্পানিটি আছে তালিকার ৯ নম্বরে৷

 

নিসান 

১৯৩৩ সালে জাপানের ইয়োকোহামা সিটিতে প্রতিষ্ঠিত এই অটোমোবাইল ব্র্যান্ডটি বিশ্বের সেরা ১০টি কার ব্র্যান্ডের মধ্যে ১০ম অবস্থানে আছে৷ জাপানীজ এই কারব্র্যান্ডটি শুরু থেকেই বিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে৷ বিশ্বের মোট ২০টি দেশে ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটিসহ প্রায় ১৬০টিরও বেশি দেশে নিজেদের কাস্টমার তৈরী করা নিসান মোটরসের মোট বার্ষিক আয় ৯৬ বিলিয়ন ডলার৷ ১৯৯৯ সালে রেনাল্ট, নিসানের সাথে যুক্ত হয় এবং বর্তমানে নিসানের প্রায় ৪৩% শেয়ারের মালিক রেনাল্ট৷ আর ফ্রেঞ্চ কোম্পানি রেনাল্টের ১৫% শেয়ারের মালিক নিসান৷

নিসান ম্যাক্সিমা। Image Source: bedfordnissan.com

২০১৬ সালে মিটসুবিসি মটরস নিসানের সাথে যুক্ত হয় এবং অক্টোবর ২০১৭ সালে মিটসুবিসির ৩৪% শেয়ার নিসান কিনে নেয়৷ বর্তমানে এটি রেনাল্ট-নিসান-মিটসুবিশি এলায়েন্স নামে পরিচালিত হচ্ছে৷ নিসান বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ইভি (Electric Vehicles) ম্যানুফ্যাকচারার প্রতিষ্ঠান৷ ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৩,২০,০০০টি ইভি বিক্রি করেছে নিসান৷ নিসানের সবচেয়ে জনপ্রিয় কার হলো নিসান লিফ, যা বিশ্ব ইতিহাসে টপ সেলিং হাইওয়ে ক্যাপাবল প্লাগ ইন কার৷ বিভিন্ন ধরণের অটোমোবাইল, বাস, ট্রাকও অন্যান্য অটো প্রোডাক্টস উৎপাদন হয়৷ পরিবেশ বান্ধব গ্রিন টেকনোলজিতে ইনভেস্ট করছে নিসান৷

Feature Image: autodeal.com
তথ্যসূত্রসমূহ :

01. Top 10 Car Brands in the World 2022 Ranking List.
02. Top 10 Automobile Companies in World 2022.
03. Top 10 Car Manufacturers in the World.

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
নুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!